ইউরোর প্রথম সেমিফাইনালে রাতে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামছে ফ্রান্স
এ যেনো ফাইনালের আগেই আরেক ফাইনাল।স্পেন-ফ্রান্স ব্লকবাস্টার দিয়ে শুরু ইউরোর প্রথম সেমিফাইনাল।দারুন এক লড়াই দেখার জন্য প্রস্তুত ভক্ত-সমর্থকরা।বাংলাদেশ সময় ১০জুলাই দিবাগত রাত ১টায় জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।
ইউরোর এইবারের আসরে দুরন্ত গতিতে ছুটছে স্পেন।আসরে এখনো পর্যন্ত একমাত্র অপরাজিত দল লা ফন্তের শীষ্যরা।গ্রুপ পর্বে ক্রোয়েশিয়া,ইতালিকে হারানোর পর কোয়ার্টার ফাইনালে টপকে এসেছে জার্মানি বাঁধা।এই আসরে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ১১ গোলের রেকর্ডও তাদের।
অন্যদিকে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বেশকিছু তারকা খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না স্পেন।হাঁটুর ইঞ্জুরিতে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে দিয়েছে মিডফিল্ডার পেদ্রিকে।কার্ড জটিলতায় খেলতে পারবেন না কারভাহাল,নরমেন্ডের মতো তারকা খেলোয়াড়। আক্রমণভাগে স্পেনের ভরসা দানি অলমোর সাথে দুই তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামস।ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে লুই দে লা ফন্তে বলেন,”এটা একটা দল।শুরু থেকেই তারা সেরাটা দিয়ে আসছে।আমি তাদের উপর বাড়তি চাপ দিতে পারবো না।তারা যেভাবে খেলেছে তাদের সবার সন্তুষ্ট হওয়ার কথা।”

অন্যদিকে ফ্রান্সের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ ওপেন প্লে থেকে গোল।৪ ম্যাচে ফ্রান্সের করা ১ মাত্র গোলটি এসেছে এমবাপ্পের পেনাল্টি থেকে।তবে ডিফেন্স লাইন তাদের অন্যতম শক্তির জায়গা। ৪ ম্যাচের ক্লিনশীট প্রমাণ দিচ্ছে কতোটা শক্তিশালী তাদের রক্ষণ ভাগ।দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলন করে ফ্রান্সের মাস্টার মাইন্ড বলেন,আমার মতে এখন পর্যন্ত আমাদের খেলার ধরণ ও কৌশল বেশ ভালো ছিলো।অনেকের কাছে সেটি দৃষ্টিনন্দন লেগেছে।তবে এখন জয় ছাড়া কিছুই ভাবছি না।কারণ আমাকে ম্যাচের রেজাল্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে।
অতীত পরিসংখ্যানে ৯ ম্যাচে ৫ জয়ে স্পেন এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান কথা বলছে ফ্রান্সের পক্ষে।শেষ ৩ দেখায় ২বারই শেষ হাসি হেসেছে এমবাপ্পেরা।
