হুয়ান গাম্পার ট্রফি পুনরুদ্ধার করল বার্সেলোনা
প্রাক-মৌসুমের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে সিরি আ ক্লাব কোমোকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে হুয়ান গাম্পার ট্রফি পুনরুদ্ধার করল বার্সেলোনা।
রোববার রাতে ইয়োহান ক্রুইফ স্টেডিয়ামে কোমোর বিপক্ষে দাপট দেখিয়েই গাম্পার ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
জোড়া গোল করেন লামিনে ইয়ামাল ও ফার্মিন লোপেজ, আরেকটি গোল যোগ করেন রাফিনহা।
‘হুয়ান গাম্পার ট্রফি মানেই বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়ন’– ফুটবলের খোঁজ-খবর রাখা কারো কাছে এই তথ্য অজানা নয়।
কয়েকবারের মধ্যে গত বছর শিরোপাটি জিততে পারেনি তারা, বার্সেলোনাকে হারিয়ে মুকুট পরে ফরাসি ক্লাব মোনাকো। এ বছর ট্রফি পুনরুদ্ধার করল হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।
এর আগে প্রীতি ম্যাচে ডাইগুর বিপক্ষে ৫-০ এবং এফসি সিউলের বিপক্ষে ৭-৩ গোলের জয় পেয়েছিল বার্সেলোনা।
তবে কোমোর বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল গাম্পার ট্রফি জয়ের লড়াই। যেটি তারা গত বছর ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে হারিয়েছিল।
এবার জয় নিশ্চিত করে ৪৭তমবারের মতো ট্রফিটি নিজেদের করে নিল কাতালান ক্লাবটি।
১৯৬৬ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রদর্শনীমূলক এই আসর। ১৯৯৬ পর্যন্ত এটি ছিল ৪ দলীয় টুর্নামেন্ট, পরে নামিয়ে আনা হয় দুই দলে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকে বার্সেলোনা। ২১তম মিনিটে কোমোর ডিফেন্ডারদের ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে ফারমিন লোপেজ ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন।
বিরতির ১০ মিনিট আগে আবার গোল করেন তিনি। এবার চমৎকার একটি শটে বাঁ-কোণ দিয়ে বল জালে পাঠান এই মিডফিল্ডার।
তবে হান্সি ফ্লিকের দল এখানেই থেমে থাকেনি। বিরতির আগেই পাঁচ মিনিটে আরও দুই গোল করে ব্যবধান বাড়ায় বার্সা।
৩৭তম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের নিখুঁত ক্রস থেকে গোল করেন রাফিনহা।
এরপর রাফিনহা নিজেই বল কেড়ে নিয়ে ইয়ামালকে সহজ এক পাস দেন। যেখান থেকে ইয়ামাল গোল করতে ভুল করেননি।
প্রথমার্ধে বার্সেলোনা আরও গোল পেতে পারত।
তবে রাশফোর্ড কোমোর গোলরক্ষক জ্যাক বুটেজকে কাটিয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন। তবে সেটি খুব একটা প্রভাব ফেলেনি।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার তিন মিনিটের মধ্যেই বাম কোণে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ইয়ামাল তার দ্বিতীয় গোল করেন।
এই নিয়ে বার্সেলোনা তাদের চারটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচে মোট ২০টি গোল করেছে।
ইয়ামাল করেছেন চারটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট, যা দেখিয়ে দিচ্ছে তিনি ২০২৪-২৫ মৌসুমে আরও বড় ভূমিকা রাখার জন্য প্রস্তুত।
অন্যদিকে, রাশফোর্ডও ধীরে ধীরে নিজেকে নতুন ক্লাবে মানিয়ে নিচ্ছেন। এই ম্যাচে তার পারফরম্যান্স তাকে প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে দিয়েছে।