খেলার মাঠে সবার আগে
Nsports-logo

রবিবার, ৭ই ডিসেম্বর ২০২৫

এবার বিসিবি পরিচালক হলেন রুবাবা দৌলা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদের পরিচালক হয়েছেন করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও নারী ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলা। তাঁকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কাউন্সিলর মনোনীত করে আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
রুবাবা দৌলার অন্তর্ভুক্তিতে ২৫ সদস্যের বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ পূর্ণতা পেয়েছে।

দেশীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থায় এনএসসি মনোনীত কাউন্সিলর থাকেন দুজন।

সাধারণত কাউন্সিলর বোর্ড সভায় অনুমোদন হয়। এরপর পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দেয় এনএসসি।
সেটাও বোর্ড সভায় অনুমোদন প্রয়োজন। এবার কাউন্সিলর ও পরিচালক দুটোই একসঙ্গে মনোনয়ন দিয়েছে।

বোর্ড সভায় কাউন্সিলর অনুমোদন দেয়ার পর পরিচালক অনুমোদন দিলে আজকের সভাতেই রুবাবা যোগ দিতে পারবেন।

৬ অক্টোবর বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের পর এনএসসি যে দুজনকে মনোনয়ন দেয়, তাঁদের একজন ইসফাক আহসানকে নিয়ে সেদিনই বিতর্ক দেখা দেয়।
আজ এনএসসির চিঠিতে ইসফাক আহসান ‘পদত্যাগ করেছেন’ বলে উল্লেখ করা হয়।

এবার বিসিবি পরিচালক হলেন রুবাবা দৌলা

এদিন এনএসসি পরিচালক (ক্রীড়া) মোঃ আমিনুল এহসান সাক্ষরিত ভিন্ন দুই চিঠিতে কাউন্সিলর ও পরিচালক মনোনয়ন দেয়া হয়, নিশ্চিত করা হয়েছে।
চিঠিতে এম ইশফাক আহসানের বদলে কাউন্সিলর ও পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়।

যদিও বিগত সময়ে এনএসসি পৃথক দিনে পৃথক এমন চিঠি দিয়েছে। আজ বোর্ড সভা উপলক্ষে একই দিন দুই চিঠি ইস্যু করেছে।

ব্যবসায়ী ইসফাকের আওয়ামী লীগের পদে থাকা এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে প্রার্থিতার বিষয়টি আলোচনায় এলে এনএসসি তাঁর জায়গায় রুবাবাকে মনোনয়নের সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে রুবাবা যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব নেননি।

রুবাবা বর্তমানে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ওরাকলের বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টরের দায়িত্বে আছেন।
এর আগে তিনি টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ও এয়ারটেলের শীর্ষ পর্যায়ে কাজ করেছেন।

এবার বিসিবি পরিচালক হলেন রুবাবা দৌলা

রুবাবা দৌলা দীর্ঘদিন ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত।

২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, একই সময়ে বাংলাদেশ স্পেশাল অলিম্পিকসের বোর্ড সদস্য হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।

গ্রামীণফোনে ১৯৯৮ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ছিলেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিত মুখ।
সেই সময় গ্রামীণফোন ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান স্পনসর (২০০৩-২০১১)।

২০০৭ সালে বিসিবির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি স্থাপনেও ভূমিকা ছিল রুবাবার।

আজ বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের একটি সভা রয়েছে। রুবাবা দৌলা সভায় যোগ দিতে পারেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে তিনি ছাড়াও মনোনীত অন্য কাউন্সিল ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy